২. যথা সম্ভব ছায়া যুক্ত স্থানে অবস্থান করুন। এবং খোলামেলা পরিবেশে থাকুন যেখানে বাতাস মুক্ত ভাবে চলাচল করতে পারে।
৩. রোদে গেলে ছাতা নেন।
৪. ক্লান্তি দূর করার জন্য লেবুর শরবত খান, চাইলে সাথে টক দই নিতে পারেন।। তাছাড়া সিজেনাল ফলমূল হিসাবে আনারস, লটকন, পেয়ারা,নশশা ছাড়াও রসালো ফল খেতে পারেন। যথা সম্ভব চিনি, মিষ্টি, কোমল পানি বর্জন করুন।
৫. শরীরে অতিরিক্ত গরম অনুভব হলে শীতল পানিতে গোসল করে নেন। অথবা গামছা, থয়েলা ভিজিয়ে শরীর মুছে নেন বার বার।।
সম্ভব হলে দৈনিক ২ বার গোসল করুন।
৬. ঘামাচি, এলার্জির প্রাদুর্ভাব থাকলে সাবান লাগাবেন না। এতে চুলকানি বৃদ্ধি পাবে। সুতি কাপড় বা সুতি থয়েলা দিয়ে হাল্কা করে ঘষে শরীর পরিষ্কার করুন।
৭. পাতলা, সুতি কাপড় পরিধান করুন।।
৮. খাবারে অতিরিক্ত ভাজাপোড়া, তৈলাক্ত খাবার বাদ দিয়ে প্রচুর শাকসবজি রাখুন।
৯. রাস্তার ধারের শরবত, আখের রস পান করা থেকে বিরত থাকুন। এতে করে টাইফয়েড, হেপাটাইটিস, পাতলা পায়খানা সহ নানা রকম মারাত্মক রোগ হতে পারে।
আরেকটু সতর্ক হোন
অনেকে নিজ কর্মস্থল ত্যাগ করে নাড়ীর টানে বাড়িতে যাচ্ছেন। আশেপাশে ফুটবল খেলার আমেজ বিরাজ করছে। খেলাতে অংশগ্রহণ করতে আপনারও মন চাইবে।
খেলতে অংশ গ্রহন করতে নিষেধ করেছি না। খেলুন ভালো কথা, কিন্তু সর্তক হয়ে খেলাই উত্তম হবে।। কেননা অনেকে হাত, পা ভেঙে নিজে ও পরিবারের ইদের আনন্দ নষ্ট করবেন। এটাকে সাধারণ খেলা হিসাবেই দেখবেন এবং অংশগ্রহণ করবেন। বিশ্বকাপ মনে করে হাত, পা ভাঙার দরকার নেই।।
আবার ছোট বেলায় অনেকের মার্বেল খেলার অভ্যাস থাকতে পারে হঠাৎ ছুটিতে গিয়ে খেললে সারা শরীরে ব্যথা আসতে পারে। ব্যথা আসার কারন হলো এ খেলায় প্রচুর উঠ বস করতে হয়।
এগুলো একটু মাথায় রাখবেন।
স্বাস্থ্য বিধি মেনে চলুন। মাক্স পরিধান করুন
.jpg)