চুলকানি এমন একটি অনুভূতি যে জায়গায় হয় সেখানে আঁচড়াতে ইচ্ছে করে। চুলকানি হতে পারে এলার্জি হলে বা কোন ওষুধের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া হিসাবে অথবা দেহের স্বাস্থ্য সংক্রান্ত অন্য কোন অন্তর্নিহিত কারণে। চুলকানি বিভিন্ন ধরণের হতে পারে। খুব সাধারণ কারণগুলি গুলি হল ফুসকুড়ি, আমবাত, ছত্রাক সংক্রমণে এবং কোন পোকার কামড়। যাদের দেহের ত্বক শুষ্ক, তাদের চুলকানি বেশি হয়। এর কিছু চাক্ষুষ লক্ষণ আছে, যেমন জায়গাটি লাল হয়ে যাওয়া, প্রদাহ, ফুলে যাওয়া এবং ফোসকা পড়া। চুলকানি সাধারণত কোন গুরুতর উপসর্গ নয় কিন্তু যদি দীর্ঘ দিন ধরে হতে থাকে তাহলে কয়েকটি গুরুতর অসুখের উপসর্গ হিসাবে চুলকানিকে দেখা যেতে পারে, যেমন, কিডনি বা লিভারের ত্রুটি।
কিন্তু কেন এ চুলকানি হয়? এ প্রসঙ্গে ডাক্তাররা বেশ কিছু কারণ শনাক্ত করেছেন। আর এগুলো হলো-
১. ব্যাকটেরিয়া সংক্রমণ
২. ছত্রাকের আক্রমণ
৩. ট্রাইকোমোনিয়াসিস প্যারাসাইট-এর আক্রমণ
৪. খোসপাচড়া ও মাইকোপ্লাজমা জেনেটালিয়াম এর সংক্রমণ হলে নিম্নাঙ্গে চুলকানি হতে পারে।
৫. কিছু যৌনরোগ যেমন – সিফিলিস, গনোরিয়া, এইডস ইত্যাদির কারণে যৌনাঙ্গে চুলকানি হতে পারে।
৬. বিভিন্ন বিরক্তিকর পদার্থ যেমন কোনো কোনো ডিটারজেন্ট, কেমিক্যাল, সুগন্ধিযুক্ত সাবান, রঙ ওয়ালা টিসুপেপার, ফেমিনিন হাইজেনিক স্প্রে, ডুশ ইত্যাদি ব্যবহার করলেও চুলকানি হতে পারে।
৭. ডায়াবেটিস, রেনাল ডিজিজ, একজিমা ও রক্তে কোন রোগ থাকলে ও অন্যান্য কোন রোগ থাকলেও যৌনাঙ্গে চুলকানি হয়।
৩. ট্রাইকোমোনিয়াসিস প্যারাসাইট-এর আক্রমণ
৪. খোসপাচড়া ও মাইকোপ্লাজমা জেনেটালিয়াম এর সংক্রমণ হলে নিম্নাঙ্গে চুলকানি হতে পারে।
৫. কিছু যৌনরোগ যেমন – সিফিলিস, গনোরিয়া, এইডস ইত্যাদির কারণে যৌনাঙ্গে চুলকানি হতে পারে।
৬. বিভিন্ন বিরক্তিকর পদার্থ যেমন কোনো কোনো ডিটারজেন্ট, কেমিক্যাল, সুগন্ধিযুক্ত সাবান, রঙ ওয়ালা টিসুপেপার, ফেমিনিন হাইজেনিক স্প্রে, ডুশ ইত্যাদি ব্যবহার করলেও চুলকানি হতে পারে।
৭. ডায়াবেটিস, রেনাল ডিজিজ, একজিমা ও রক্তে কোন রোগ থাকলে ও অন্যান্য কোন রোগ থাকলেও যৌনাঙ্গে চুলকানি হয়।
৮. টাইট পোশাক ও যৌনাঙ্গ সবসময় গরম ও আর্দ্র রাখলে।
৯. অপরিষ্কার থাকলে।
৯. অপরিষ্কার থাকলে।
চুলকানী রোধে করনীয়ঃ
১. চুলকানির চিকিৎসায় কেবলমাত্র শরীরের বাইরের দিক বা ত্বক নিয়ে ব্যতিব্যস্ত হবেন তা নয়, আপনার শরীরের ভেতরের দিকটাও বিবেচনায় রাখতে হবে। ডা. অ্যাডিগান বলেন, ‘প্রচুর পানি পান করে হাইড্রেটেড থেকে আপনার ত্বককেও হাইড্রেটেড বা আর্দ্র রাখতে পারেন।’ ত্বক আর্দ্র থাকলে চুলকানির প্রবণতা কমে যাবে।
২. চর্মরোগ বিশেষজ্ঞ ডাক্তার দেখান।
৩. আপনি সম্ভবত জানেন যে, পোড়া ত্বকের নিরাময়ে অ্যালোভেরা বেশ কার্যকর। কিন্তু আপনি হয়তো এটা জানেন না যে, ত্বকের চুলকানি উপশমেও এ উদ্ভিদটি জাদুকরী ভূমিকা রাখতে পারে। ডা. অ্যাডিগান বলেন, ‘অ্যালোভেরা হলো একটি প্রদাহরোধী ওষুধ, একারণে ত্বকের অস্বস্তিকর চুলকানির জন্য এটি কার্যকর চিকিৎসা হতে পারে।’ অ্যালোভেরা থেকে তাজা জেল বের করে চুলকানির স্থানে প্রয়োগ করুন।