স্বপ্নদোষের কারণ- স্বপ্নদোষ কেন হয়?
১। বয়ঃসন্ধিকালে হরমোনের আধিক্যের জন্য।
২। খারাপ বিষয় সম্পর্কে চিন্তা-ভাবনা করা।
৩। নীল ছবিসমূহের প্রতি আসক্ত হওয়া।
৪। খারাপ জাতীয় বই পড়া।
৫। ঘুমাতে যাওয়ার আগে খারাপ বিষয় চিন্তা করা বা দেখা।
৬। হরমোনগত জন্যই উত্তেজনা বেশি হয়।
৭। মদ্যপান, নেশা সেবন ও বেশি পরিমাণে উত্তেজক খাদ্য গ্রহণ।
৮। সকালের দিকে মুত্রথলিতে বেশি মুত্র সঞ্চয় ও তার ফলে শুক্র স্থিতিতে চাপ পড়ার কারণে।
স্বপ্নদোষ স্বাভাবিকভাবে বা পরিমাণমতো এটি হলে তা রোগ নয়, তবে বেশি হলে তা খারাপ
লক্ষণ দেখা দেয়। সেক্ষেত্রে ডাক্তারের পরামর্শ নেওয়া যেতে পারে।
সাধারণত স্বপ্নদোষের কোনো প্রতিকার ও চিকিৎসার প্রয়োজন হয় না। তবে এটি অতি মাত্রাতিরিক্ত মাত্রায় হতে থাকে চিকিৎসার প্রয়োজন হতে পারে।
১, ব্যায়াম পুরুষের শরীর, মন ও মস্তিক্কের ওপর সম্পূর্ণভাবে নিয়ন্ত্রণ রাখতে সাহায্য করে। দৈনিক ব্যায়াম করার ফলে যেসবযৌনকর্ম যা করলে আপনার স্বপ্নদোষ হতে পারে, আপনি তা নিজে কাজের মাধ্যমে আটকাতে পারবেন।
২ খাদ্য তালিকার রুটিন বদল করলে স্বপ্নদোষ আটকানো যায়। যেসব পুরুষদের স্বপ্নদোষ হয়, তারা উত্তেজক খাবার খাওয়া থেকে বিরত থাকুন।
৩. ধ্যান করলে মনোযোগ বৃদ্ধি পায় ও ভিতরের অনুভূতিগুলো নিয়ন্ত্রণের মধ্যে রাখা যায়। ফলে পুরুষেরা হস্তমৈধুন করা থেকে নিজেদের আটকাতে পারবেন এবং স্বপ্নদোষ বন্ধ করার জন্য খুবই উপকারি।
৪. ঘুমাতে যাওয়ার আগে মূত্র ত্যাগ করে নেবেন। যদিও এটি ষপ্নদোষের চিকিৎসা নয় তবে এটি স্বপ্নদোষের চাপ কমাতে সহযোগিতা করে।
৫। . ঘুমানোর সময় উপুড় হয়ে ঘুমাবেন না। যদি আপনার স্বপ্নদোষ হয়ে থাকে এটার অন্যতম কারণ হতে পারে উপুড় হয়ে ঘুমানোর জন্য। তাই সবসময় চিত বা কাত হয়ে ঘুমানো উচিত।
৬. রাতের খাবার খাওয়ার পরপরই ঘুমাতে যাবেন না। কিছু সময় হাঁটাহাঁটি করুন এবং ঘুমানোর আগে খুব বেশি পরিমাণে জল পান করবেন না।
সোর্সঃ গুগল